মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : নিয়োগে দুর্নীতি, এমপিওভুক্তির নামে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অভিযোগ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ার পরও অভিযুক্ত কর্মকতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। শিক্ষক মারধর করার অভিযোগও উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফরিদপুরের আদমপুর এ, কে দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ওয়াহিদুজ্জামান মিয়া। তিনিসহ ওই মাদ্রাসার আরও দুই শিক্ষক এমপিওভুক্তির আবেদন করেছেন আড়াই বছর আগে। তার দাবি কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। কিন্তু এমপিওভুক্তি হয়নি। সারা দেশ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষকরা আসেন এই অধিদপ্তরে।অভিযোগ আছে, এখানকার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার অনিয়মের কারণে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।
এমনকি মাদ্রাসার বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী পাঠানো হয় অধিদপ্তরের প্রতিনিধি হিসেবে। সেই সঙ্গে সেবাপ্রার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে করা হয় দুর্ব্যবহার। নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরও অধিদপ্তরের পরিদর্শক বাদশা মিয়া,আবু ইউসুফসহ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ আছে তার নেতৃত্বে পাঁচ জনের একটি সিন্ডিকেট অধিদপ্তরকে জিম্মি করে রেখেছে। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে বারবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অনিয়মের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে এ অধিদপ্তরের সব কাজে স্বচ্ছতা আনতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।